বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ১০:২৯ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

অসাধু পর্যটন ব্যবসায়ীদের ধরতে মাঠে প্রশাসন

বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজারে পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়কারি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের ধরতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। একই সাথে পর্যটকদের সচেতনতা সৃষ্টি করতে মাইকিং করা হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে যাচ্ছে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। গত দুইদিন ধরে অভিযান বেশী জোরদার করা হয়েছে বলে জানান ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: মহিউদ্দিন আহমেদ।

মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, গত ১৬ ডিসেম্বরের সরকারি ছুটিতে বিপুল সংখ্যক কক্সবাজার ভ্রমনে আসে। এই সুযোগে কিছু হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট মালিকরা পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আসছিল। বিশেষ করে নি¤œমানের হোটেল ও রেষ্টুরেন্টে এই অবৈধ কারবার বেশী। তাই, গত দুইদিন ধরে ধারাবাহিক অভিযান শুরু করে ট্যুরিস্ট পুলিশ। অভিযানে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কারণে বেশ কিছু সংখ্যক পর্যটকদের টাকা ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া আরও বেশকিছু পর্যটক কক্সবাজার ত্যাগ করার কারণে ব্যবস্থা নিতে পারেননি ট্যুরিস্ট পুলিশ।

ছুটি শেষ হওয়ার শনিবার থেকে বেশীরভাগ পর্যটক কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা উল্লেখ করে এএসপি মহিউদ্দিন আরও বলেন, পর্যটক চলে গেলেও আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। হোটেল-মোটেল ও রেষ্টুরেন্টে পুলিশ গিয়ে বুকিং খাতা ও রিসিভ বই থেকে শুরু করে সবকিছু তদন্ত করছে পুলিশ। যাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট (পর্যটন সেল) মো: সৈয়দ মুরাদ ইসলাম জানান, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে কক্সবাজার পর্যটনের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। আমরা তাদের চিহ্নিত করছি এবং সাথে সাথে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। এছাড়াও আমাদের বিভিন্ন আইন প্রয়োগ সংস্থা এসব অসাধু ব্যক্তিদের ধরতে মাঠে কাজ করছে।

মুরাদ ইসলাম আরও জানান, গত দুইদিন ধরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মো: আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোন সহ জেলার বিভিন্ন পর্যটন স্পটে মনিটরিং করছে। যেখানে অনিয়ম সেখানে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবারও সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। শুক্রবার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে দুটি হোটেলকে ২৫ হাজার জরিমানা করেছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোনে পর্যটকরা যাতে হয়রানির শিকার না হন সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর টানা ৩দিনের সরকারি ছুটিতে পর্যটন শহর কক্সবাজারের ভ্রমনে আসা পর্যটকদের কাছ থেকে কিছু হোটেল-মোটেল ও রেস্টুরেন্টে গলাকাটা বাণিজ্য করে। সাধারণ একটি রেস্টুরেন্টে শুধু ডাল-ভাতের দাম রাখা হচ্ছে ৪০০ টাকা। এক প্লেট ভাত ও আলুভর্তার দাম রাখা হচ্ছে ৩০০ টাকা। পাশাপাশি শহরের অটোবাইক ও রিকশাচালকরাও দ্বিগুণ ভাড়া নিচ্ছেন। এতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020
Design & Developed BY jmitsolution.com