শনিবার, ২৫ Jun ২০২২, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস: মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায় রোহিঙ্গারা

রোহিঙ্গা, ফাইল ছবি

বিশেষ প্রতিবেদক:
আজ ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবস। বিশ্বের সর্ববৃহৎ শরণার্থী ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বদক্ষিনে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে। মিয়ানমারের সেনা নির্যাতন, গণহত্যা থেকে বাচতে ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ঠ থেকে ৭ লাখের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এর পুর্ব থেকে আরো ৪ লাখের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে রয়েছে। বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ। নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার নিশ্চয়তা নিয়ে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে বিশ^বাসীর সহযোগিতা চায় রোহিঙ্গারা। অপরদিকে রোহিঙ্গারা নানাভাবে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি মাদক কারবার ও চাদাবাজী সহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে।

২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ঠের পর মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে ৭ লাখের অধিক রোহিঙ্গা। এর আগে থেকে আসা মিলিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্পে বর্তমানে রয়েছে প্রায় ১১ লাখের অধিক রোহিঙ্গা। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ শরণার্থী ক্যাম্প বাংলাদেশের কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে অবস্থিত। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা পৃথিবীর সর্ববৃহৎ শরণার্থী ক্যাম্প নিয়ে চ্যালেঞ্জের মূখে রয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিয়ানমারের রাখাইনে এখনো রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি বলে দাবী করে আসছে। এছাড়া জাতিসংঘের সাথে মিয়ানমারের চুক্তির পরও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিয়ে শংকিত রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গা হিসেবে তাদের জাতিগত স্বীকৃতি, নাগরিকত্ব প্রদান, নিজ ভিটে-মাঠি ফেরৎ দেয়ার পাশাপাশি স্বাধীনভাবে চলাচলের সুযোগ দিয়ে তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়ার দাবীতে সোচ্ছার রোহিঙ্গারা। এ দাবীতে বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহায়তা কামনা করেছে রোহিঙ্গারা।

বাংলাদেশ সরকার ও দেশের জনগনের মানবিকতাকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রোহিঙ্গা কমিউনিটির এ নেতা জানান, জাতিগত স্বীকৃতি, নাগরিকত্ব প্রদান, নিজ ভিটে-মাঠি ফেরৎ দেয়ার পাশাপাশি স্বাধীনভাবে চলাচলের সুযোগ দিলে তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে সকলে প্রস্তুত রয়েছে।

রোহিঙ্গা দ্বীর্ঘমেয়াদি অবস্থান করায় মাদক ও চাদাবাজীতে জড়িয়ে পড়ার কথা জানান ক্যাম্পে দ্বায়িত্বরত এপিবিএন পুলিশ সুপার সিহাব কায়সার খান।

মানবিকতার খাতিরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা দ্বীর্ঘদিন অবস্থান করায় কক্সবাজারের আত্মসামাজিক সহ শান্তিশৃঙ্খ্যলা বিঘিœত হচ্ছে। কক্সবাজারবাসীর মানবিকতা প্রশ্নবোধক হয়ে উঠেছে। রোহিঙ্গারা নানাভাবে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে এবং সহিংস্য হয়ে উঠেছে। তবে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই আমাদের একমাত্র কাম্য।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020
Design & Developed BY jmitsolution.com