রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

কোরআনে কারিমের নান্দনিক শিল্প-সম্ভার

সরদার আবদুর রহমান:
কোরআন মজিদকে কেন্দ্র করে নানাপ্রকার নান্দনিক ও মননশীল শিল্পের বিকাশ ঘটে চলেছে। আরবি প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ভাষা। তারপরও বিগত দেড় হাজার বছর ধরে বিশ্বব্যাপী আরবির প্রচার ও বিস্তার ঘটেছে কোরআন শরিফকে কেন্দ্র করেই। ফলে মুসলিম মানসে আরবি কেবল একটি ভাষা হয়ে থাকেনি, কোরআন মজিদের বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কোরআন মূলত একটি পথনির্দেশমূলক গ্রন্থ। তারপরও কোরআনকে কেন্দ্র করে এক বিস্ময়কর নান্দনিক শিল্প-সম্ভার গড়ে উঠেছে। এ সবের মধ্যে রয়েছে সাধারণ তেলাওয়াত, হেফজ, কেরাত, লিপি শিল্প, ক্যালিগ্রাফি শিল্প, মুদ্রা ও শিলালিপি, সুর শিল্প, ভাষা-অলংকার ও বর্ণনা শিল্প, আরবি বর্ণ ও ভাষা চর্চা, গবেষণা ও সাহিত্য, অনুবাদ ও তাফসির প্রভৃতি। এগুলো বিশ^ব্যাপী মুসলিমদের প্রতিনিয়ত ব্যবহারিক ও আলোচনার অংশে পরিণত হয়েছে। এখানে সংক্ষেপে এগুলোর পরিচিতি তুলে ধরা হলো

কোরআন তেলাওয়াত : প্রতিদিন দুনিয়ার কোটি কোটি মানুষ কোরআনের কোনো না কোনো অংশ তেলাওয়াত করেন। কোরআন তেলাওয়াত ছাড়া নামাজ না হওয়ার শর্তের কারণে এর পঠন অপরিহার্য। তা ছাড়া কোরআনের একেকটি অক্ষরের জন্য ১০টি করে সওয়াব লেখা হয় এই ঘোষণার কারণে দুনিয়ার যেকোনো প্রান্তে অবস্থানরত মুসলমান তাদের বয়স, শ্রেণি, পেশা ও স্থানের পার্থক্য নির্বিশেষে মানুষ সাধারণভাবে কোরআন তেলাওয়াতে ব্রতী থাকেন।

কোরআন হেফজ : হেফজ করা বলতে কোনো কিছু মুখস্থ রাখা কিংবা মস্তিষ্কে সংরক্ষণ করা বুঝায়। বিশেষ করে পবিত্র কোরআনের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। সারা দুনিয়ার কয়েক কোটি মানুষ পুরো কোরআন মগজে গেঁথে রেখেছেন। তাদের ‘হাফেজ’ বলা হয়। অন্য কোনো পবিত্র বা কোনো সাধারণ গ্রন্থ এমন মর্যাদার অধিকারী হয়নি। হাফেজের বাংলা প্রতিশব্দ রক্ষক। তবে হাফেজ বলতে বুঝানো হয়, যার সমস্ত কোরআন (৩০ পারা) মুখস্থ আছে এমন মানুষকে।

নবী মুহাম্মদ (সা.) সপ্তম শতাব্দীতে এমন এক আরবে বসবাস করতেন যেখানে খুব কম মানুষ শিক্ষিত ছিল। আরবরা তাদের ইতিহাস, বংশবিস্তার এবং কবিতা কণ্ঠস্থ করে রাখত। যখন মুহাম্মদ (সা.) কোরআনের আয়াতগুলো বলতেন, তখন সাহাবিরা সেগুলো মুখস্থ করে ফেলতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকালের পরেও প্রায় ১০-১৫ হাজার হাফেজ ছিলেন বলে ধারণা করা হয়, যা কোরআনের সত্যতা প্রমাণ করে। সঠিকভাবে লেখার কোনো পদ্ধতির সাধারণ প্রচলন না থাকায়, লেখার চেয়ে মুখস্থ উৎসই বেশি নির্ভরযোগ্য ছিল সে সময়। সে সময় হাফেজদের তেলওয়াতকারী হিসেবে খুব সম্মান করা হতো এবং যারা পড়তে জানতেন না তারা এভাবে কোরআন দ্বারা হেদায়াতপ্রাপ্ত হতেন।

কেরাত : একমাত্র কোরআন মজিদই এই মর্যাদা লাভ করেছে, যেটি বিশুদ্ধভাবে পাঠ করার জন্য একটি পৃথক পদ্ধতি ও কৌশল গড়ে উঠেছে। এই পদ্ধতি-কৌশল যারা রপ্ত করেছেন তারা ‘কারি’ হিসেবে পরিচিত। এই বিশেষ বিশুদ্ধ পাঠের জন্য বিশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়, যেখানে কোরআনের সঠিক উচ্চারণরীতি শেখানো হয়। মুসলিম সমাজে হাফেজ ও কারিরা বিশেষ সম্মান পেয়ে থাকেন।

বিশুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যে কোরআন শিক্ষাগ্রহণ করে ও অপরকে তা শিক্ষা দেয়। সুনানে আবু দাউদ

কণ্ঠশিল্প : কোরআন তেলাওয়াতকে কণ্ঠশিল্পের মাধ্যম হিসেবেও গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন সুর লহরি দিয়ে এর মাধুর্য ও লালিত্য প্রকাশ বিশ্বজুড়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সুর দিয়ে কোরআন পাঠের প্রতি রাসুলুল্লাহ (সা.) গুরুত্ব দিয়েছেন। বারা ইবনে আজেব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহকে (সা.) এশার নামাজে সুরা ত্বিন পড়তে শুনেছি। আমি তার চেয়ে সুন্দর কণ্ঠে আর কাউকে তেলাওয়াত করতে শুনিনি।’ সহিহ্ বোখারি

সুর-সহকারে কোরআন পাঠ সুন্দর তেলাওয়াতের অংশ। মহান আল্লাহ কোরআন তেলাওয়াত শুনেন। হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা সুললিত কণ্ঠে কোরআনকে সুসজ্জিত করে পাঠ করো।’ হাদিসে আরও বলা হয়েছে, ‘তোমরা তোমাদের কণ্ঠস্বর দ্বারা কোরআনকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করো। কারণ সুমিষ্ট স্বর কোরআনের সৌন্দর্য বাড়ায়।’ সুন্দর আওয়াজে তেলাওয়াত করা কোরআনের সৌন্দর্য। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘সুন্দর আওয়াজ (কণ্ঠস্বর) কোরআনের সৌন্দর্য।’ তবে গানের সুরে ও বাজনার তালে তালে কোরআন তেলাওয়াত করা যাবে না।

আরবি বর্ণ ও ভাষা চর্চা : ভাষা চর্চার ক্ষেত্রে আরবি বর্ণ ও ভাষা চর্চা পৃথক একটি স্থান লাভ করেছে। এখানে তাজবিদ, নাহু, সরফ, বালাগাত প্রভৃতি নামে বিশেষ একটি শাস্ত্রসৌধ গঠিত হয়েছে। এর একটি বৃহৎ অংশ হয়ে গেছে কোরআন শরিফ।

শাস্ত্রীয় আরবি ব্যাকরণের জন্য ব্যাকরণ-বিজ্ঞান পাঁচ শাখায় বিভক্ত ১. আল-লুগাত (ভাষা/অভিধান), ২. আত-তাসরিফ বা আস-সরফ (রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব), ৩. আন-নাহু (বাক্য গঠন), আল-ইশতিকাক (শব্দের উৎস বা ধাতু নির্ধারণ) এবং আল-বালাগাত (অলংকার শাস্ত্র)।

তবে আরব অঞ্চল ও ভারতীয় উপমহাদেশসহ বিশে^র বিভিন্ন আরবি পাঠকেন্দ্রগুলোতে (যেমন মাদরাসা) মূলত আরবি ব্যাকরণের দুটি শাখাকে প্রধান ধরা হয়। এগুলো প্রথমত, ইলমুস সরফ বা শব্দতত্ত্ব এবং দ্বিতীয়ত, ইলমুন নাহু বা বাক্যতত্ত্ব।

ভাষা-অলংকার ও বর্ণনা শিল্প : কোরআনে করিমের রচনা ও বর্ণনাশৈলী খুবই আকর্ষণীয় শিল্পসম্ভার। এর উল্লেখযোগ্য আলোচ্যবিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে আখ্যানভাগ বর্ণনা, শব্দ চয়ন, চরিত্র-চিত্রায়ন, ধ্বনির উত্থান-পতন, প্রতীক-উপমার ব্যবহার, অন্ত্যমিল ও ছন্দ, সম্বন্ধ অলংকার, অনুকল্প, প্রতিরূপক, কল্পনালংকার, ব্যক্তিত্ব আরোপ, সম্বোধন অলংকার, বিপরীত অলংকার, বক্রাঘাত, সুভাষণ, শব্দালংকার, ভাষালংকার, অনুপ্রাস, ব্যঙ্গ ও কৌতুকরস, রহস্যময়তা, খণ্ডবাক্য প্রভৃতি বহুবিধ বিষয়। এর প্রতিটি বিষয়বস্তু পৃথক পৃথকভাবে আলোচনার সুযোগ রয়েছে।

লিপি শিল্প : কোরআনের আয়াত ও আরবি লিপিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে লিপি শিল্প। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই হস্তলিপির চর্চা হয়। আরবি লিপিমালার মধ্যে মুদাওয়ার, মুসাল্লাস, তাইম, মাবসুত প্রভৃতি লিখন পদ্ধতি বা লিপির কথা প্রচলিত ছিল। পরে সুলুস, নাসখ, মুহাক্কাক, রায়হান, তাহকি এবং রিকা নামক ছয়টি আরবি লিখনপদ্ধতির আবিষ্কার করা হয়।

এ ছাড়া হাতে সুন্দর লিপিতে কোরআনের অনুলিপি প্রস্তুত বহুল চর্চিত একটি বিষয়। অনেক রাজ-বাদশাহ পবিত্র কোরআনের অনুলিপি প্রস্তুত করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

ক্যালিগ্রাফি শিল্প : লিপি শিল্পেরই আরেক নান্দনিক ও বিস্তৃত শিল্প ক্যালিগ্রাফি। প্রাচীনকাল থেকেই ক্যালিগ্রাফি শিল্পের বিকাশ হতে থাকলেও আধুনিককালে মূর্তচিত্রের বিপরীতে বিমূর্ত শিল্পের বিকল্প হিসেবে ক্যালিগ্রাফি শিল্প বিকশিত হয়েছে। এতে প্রধানত কোরআনের আয়াত কিংবা আরবি লিপি ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। এই শিল্পের ধারাগুলোর মধ্যে রয়েছে কুফি, নাসিখ, মাগরিবি, তালিক, নাস্তালিক, দিওয়ানি ও তুঘরা প্রভৃতি রীতি।

কালিগ্রাফি শিল্পীরা অন্য মাধ্যমের চেয়ে কোরআনের আয়াতকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এবং এর জনপ্রিয়তাও বেশি। ইসলামি শিল্পচেতনার প্রতি আগ্রহী মানুষেরা তাদের ড্রয়িংরুমে ক্যালিগ্রাফিসংবলিত চিত্রকে স্থান দিতে বেশি পছন্দ করেন।

মুদ্রায় কোরআনের আয়াত : মুসলিম শাসকদের মাধ্যমে প্রচলনকৃত মুদ্রায় কোরআনের আয়াত তথা আরবি লিপি উৎকীর্ণ করার বিষয়টি একটি উল্লেখযোগ্য দিক। ইসলামি খেলাফতের প্রাথমিক যুগেই এর সূচনা হতে দেখা যায়। হজরত উসমান (রা.) খেলাফতে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর (২৩ হি./৬৪৪ ইং) মুদ্রা হিসেবে ‘দিরহাম’ তৈরি করেন এবং এতে ‘আল্লাহ আকবার’ লিখে নকশা করা হয়। পরবর্তীকালে হজরত মুয়াবিয়া (রা.)-এর কার্যক্রম শুধু ‘দিরহাম’ তৈরি করার মধ্যেই থেমে ছিল না, তিনি ৪১ হিজরি/৬৬১ ইং সনে ‘দিনার’ও তৈরি করেন। জানা যায়, চীন প্রজাতন্ত্রের ‘সিয়ান’ নামক গোরস্থানে তিনটি আরবি স্বর্ণের টুকরো আবিষ্কৃত হয়। এতে পরীক্ষা করে দেখা যায়, ওই মুদ্রাটির ব্যাস ১/৯ সেমি, ওজন ছিল ৪.৩ গ্রাম, পুরু এক মিলিমিটার। এক পিঠের মধ্যস্থানে তিন লাইনে আরবিতে লেখা, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু’, ‘মুহাম্মাদ রাসুলুল্লাহ, আরসালাহু বিল-হুদা ওয়া দিনিল-হাক।’ প্রত্যেক মুদ্রার অপর পিঠে কুফি অক্ষরে নকশা আঁকা ছিল, সেখানে লেখা এ দিনারটি তৈরি করা হয়েছিল হজরত মুয়াবিয়ার (রা.) সময়।

প্রতœবস্তুতে কোরআন : প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো মূলত ইতিহাসের অলিখিত উপাদানভুক্ত। যেমন শিলালিপি, তাম্রলিপি, স্তম্ভলিপি প্রভৃতি। এসব বস্তুতে বিভিন্ন স্থাপনার পরিচিতিমূলক লিপি প্রাধান্য পেলেও অনেক লিপিতেই কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত থাকতে দেখা যায়।

বিশেষ করে বাংলায় সুলতানি শাসনের প্রতিষ্ঠার পর শৈল্পিক আবহ ও পটভূমির আমূল পরিবর্তন হতে শুরু করে। মুসলিম সুলতানদের উদার দৃষ্টিভঙ্গি ও স্থাপত্য অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলায় নতুন আঙ্গিকের ইমারত, দালান-কোঠা ও নির্মাণ প্রকল্প স্থাপন হতে থাকে। যেখানেই ইমারত হতো, সেখানে একটি করে শিলালিপি স্থাপনার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হতো। এটি শুধু তথ্য সংরক্ষণ নয়, বরং তাতে অত্যাশ্চর্য শিল্প সৌকার্য ফুটিয়ে তোলা হতো।

এভাবে সুলতানি শিলালিপির (১২০৪-১৫৭৬ খ্রি.) ব্যাপকতার প্রবল প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে বাংলায়। দেশের আনাচে-কানাচে যেখানে কিছু নির্মাণ করা হতো, তার সঙ্গে একটি আরবি-ফারসি শিলালিপি দিয়ে শোভা বর্ধন করতে হবে এমন রীতি গড়ে ওঠে। এভাবে বাংলায় সুলতানি শিলালিপির এক বিশাল ও সমৃদ্ধ ভাণ্ডার তৈরি হয়। এই ভাণ্ডারের আরবি-ফারসি লিখনশৈলীর বিচিত্র ও নয়নাভিরাম রীতিগুলো গবেষক, দর্শক ও পাঠককে আকর্ষণ ও মুগ্ধ করেছে।

গবেষণা ও সাহিত্য : কোরআনে করিমের বিপুল ভাণ্ডারকে কেন্দ্র করে শত শত বছর ধরে অসংখ্য গবেষণাপত্র ও গ্রন্থ রচিত হয়েছে। একে কেন্দ্র করে সাহিত্য-ভাণ্ডারও সমৃদ্ধ হয়েছে। অন্য কোনো ধর্মগ্রন্থ এককভাবে এমন সুযোগ পেয়েছে বলে জানা যায় না। বিশেষত পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় এর অনুবাদ ও তাফসিরগ্রন্থ রচিত হয়েছে যা এই গ্রন্থকে বিশ্বব্যাপী বিপুলভাবে পরিচিতি প্রদান করেছে। বিশ্বের প্রায় সব ভাষায় কোরআনের অনুবাদ হয়েছে। বিভিন্ন ভাষায় কোরআনের তাফিসর গ্রন্থের তালিকার জন্য আলাদা পুস্তিকা রচনা প্রয়োজন।

এ ছাড়া কোরআনের অনুবাদ করতে গিয়ে কাব্য ও ছন্দের আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টিও কম উল্লেখযোগ্য নয়।

পবিত্র কোরআনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এসব শিল্পকর্ম সম্পর্কে আলোচনায় এটিই প্রতীয়মান হয় যে, পৃথিবীর একমাত্র গ্রন্থ হিসেবে কোরআন মজিদই একমাত্র বহুমাত্রিক ব্যবহারের সুযোগ লাভ করেছে। তবে এই বিষয়গুলোর চেয়ে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও মূল বিষয়ই হলো কোরআনের বাণীর মর্ম উপলব্ধি করা এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এর অনুসরণ ও অনুশীলন করা। এই কার্যক্রম থেকে বিচ্যুত হলে এর কোনো শিল্পমূল্যই কাজে আসবে না।

ভয়েস/আআ/সূত্র: দেশ রূপান্তর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020
Design & Developed BY jmitsolution.com