শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:১৪ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

পৃথিবীতে পেলে একজনই

অনুস্মৃতি : আন্দালিব রাশদী:

আমার যা কিছু আছে তার সবটার জন্যই আমি ফুটবলের কাছে ঋণী। স্যান্তোস দলের সঙ্গে যখন আমার খেলার জীবন শেষ হয়ে আসছে আমি এতটাই ঘোরের মধ্যে ছিলাম যে আমার নাম সই করেছি ‘এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো বোলা’ (বোলা মানে ফুটবল)এই খেলা আমার জন্য যা কিছু করেছে তার বিনিময়ে নামটা এভাবে লেখাই হচ্ছে আমার

কৃতজ্ঞতা জানানোর উপায় বলে আমার মনে হয়েছে। আর এর শুরুটা আমি জানি একজন ফুটবলারকে বাবা হিসেবে পাওয়ার মধ্য দিয়েঅধিকাংশ ছেলেই চায় বাবার মতো হবে, আমিও কোনো ব্যতিক্রম নই। ডনডিনহো অনেক গোল করেছেন, সবাই বলেছেন তিনি ভালো খেলোয়াড়। আমি কখনো ভাবিনি ব্রাজিলের পক্ষে খেলব কিংবা বিশ^কাপ জেতার মতো কিছু একটা করে ফেলব। আমি কেবল আমার বন্ধুদের বলেছি, ‘‘এক দিন আমি বাবার মতোই হব।’’ ডনডিনহো একজন ভালো মানুষ ছিলেন, বিস্ময়কর এক বাবা। যদিও ফুটবল তাকে তেমন কোনো টাকাপয়সা এনে দেয়নি, তিনি এই খেলাটাই খেলতেন। সে কারণে আমিও ফুটবল-মোহিত হয়ে উঠেছিলাম। এটা আমার ‘জিন’-এ এসে গেছে।

স্মরণ করুন, এমনই ছিল ব্রাজিলআমি যখন বেড়ে উঠছি ফুটবল সবখানেই। বাড়ির আঙিনায়, রাস্তায় সবখানেই আমি ফুটবল খেলেছি। খেলা কোথাও না কোথাও চলছেই আর আমাদের চেয়ে খানিকটা বড় ছেলেরাই আয়োজনটা করছে। আমি এবং আমার বন্ধুরা খেলার জন্য ‘মরিয়া’ হয়ে উঠেছিলাম, কিন্তু কোনো দলে সুযোগ পাওয়া সহজ ব্যাপার ছিল না। আমার বেলায় ওরা বলত, নেওয়া যাবে না, একেবারে হাড় জিরজিরে। এটা সত্যি ছেলে হিসেবে আমি আকারে ছোট এবং কৃশকায়। যখনই এসব কারণে বাদ পড়ছি, আমি ততই মরিয়া হয়ে উঠছি। যারা দলে যোগ দিচ্ছে তাদের বয়স দশ বছর, হয়তো আমাদের চেয়ে কয়েক বছর বেশি। তারা ভাবত তারাই রাজপথের সম্রাট। আমরা যারা ছোট দমে যাইনি, আমরা নিজেদের বিপ্লবের কথা ভাবতে থাকি। আমরা মাঠের বাইরের দিকে থাকব। যখন বলটা মাঠের বাইরে আসবে আমরা সেই বল আর ফেরত দেব না, নিজেরাই খেলতে শুরু করব। এতে আমরা অনেক চড়-থাপ্পড় খেয়েছি, পাছায় লাথিও পড়েছে। আমি ও আমার ভাই জোকা একটু দূরে দূরে থাকতাম। আমরা ভয়ে থাকতামআমাদের মা ডোনা কেলেস্তে যেকোনো সময় হাজির হয়ে যেতে পারেন।

মিনি সার্কাসের মোহটা কমে আসতেই ফুটবলের স্বপ্ন নিয়ে আমরা আরও আরও বেশি সময় কাটাতে শুরু করলামআমরা কবে খেলার সুযোগ পাব। আমাদের খেলার জন্য পোশাক-জুতো কিচ্ছু নেইএমনকি ফুটবলও না। পুরনো মোজা কিংবা স্টকিং-এর ভেতর কাগজ, ছেঁড়া কাপড়এসব গুঁজে দিয়ে বেঁধে যেনতেন একটা বল বানিয়ে খেলতে শুরু করি। যখনই কোনো একটা নতুন মোজা, একখণ্ড কাপড় পেয়ে যাই আমাদের বলটার আকার বড় হতে থাকে, মানটাও উন্নত, তারপর একসময় আরও উন্নত হতে হতে অনেকটা সত্যিকারের বলের মতোই মনে হতে থাকে। আমার প্রথম রাজকীয় ফুটবল মাঠটি হচ্ছে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ রুবেন্স আরুদা স্ট্রিট স্টেডিয়ামদুদিকে দুটি পুরনো জুতো রেখে গোলপোস্ট বানিয়েছি আর এক জোড়া জুতো রাস্তার শেষ প্রান্তে যেখানে চোরাবালির শুরু। আমার জন্য এমন আর একটি ফুটবল মাঠ হচ্ছে সেতে দ্য সেটেমব্রো সড়ক (ব্রাজিলের স্বাধীনতা দিবসের উল্লেখ করে এই রাস্তার নাম রাখা)। উভয় রাস্তাতেই মাঠের সীমানা, যেখানে বাড়িঘরের শুরু। কিন্তু একসময় এটাই ছিল আমার জন্য ‘মারকানা’যেখানে আমার ফুটবল দক্ষতার প্রশিক্ষণ। মোজার বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা খুব সহজ কাজ নয়। স্ট্রিট স্টেডিয়ামে ফুটবল শুধু বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর অজুহাত নয়, এটা আমার বাতিক হয়ে ওঠে।

সদা জাগ্রত, সদা চোখ-কান খোলা রাখা ডোনা কেলেস্তে দ্রুত আমাকে সুপথে আনতে চেষ্টা করলেন যেন অন্য কিছুটা সময় আমি পড়াশোনার পেছনে ব্যয় করি। সম্ভবত আমার বাবাকে নিয়ে তার যে অভিজ্ঞতা তা থেকে ফুটবল সম্পর্কে তার ধারণা, এটা সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়। ফুটবল মানুষটিকে সংসার থেকে সরিয়ে নিয়েছে, তিনি টেবিলে খাবারের নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। বাবার পথে ছেলেও ছুটোছুটি করে ব্যর্থজীবন মেনে নেবে এটা মায়ের চাওয়া নয়। তিনি খেলা থেকে একেবারে উঠিয়ে এনে একটি যৌক্তিকতা দাঁড়া করালেনখেলুক, কিন্তু কাছাকাছি, যেন তিনি চোখে চোখে রাখতে পারেন। তা ছাড়া এটাও তো ভালো যে আমি ফুটবল নিয়ে আছি, খারাপ কিছুতে জড়াচ্ছি না। কিন্তু সঙ্গে শর্ত প্রযুক্ত হলোখেলতে যেতে পারব, কিন্তু সঙ্গে আমার ছোট ভাই জোকোকে নিয়ে যেতে হবে, তাকে নিয়েই খেলতে হবে। কিন্তু জোকো এতটাই ছোট যে খেলার কাজে লাগার মতো নয়। বড় ছেলেরা যখন তাকে ঘিরে ধরত কিংবা তার কাছ থেকে বলে নিয়ে যেত ভেউ ভেউ করে কেঁদে বাসায় চলে যেত। সে আমার ভাই এবং আমাকে খেলা চালিয়ে যেতে হবে। কাদায় মাখামাখি অবস্থায় ফুটবলের প্রতিটি সেশন শেষে বাড়ি ফিরতাম। এই মধুর স্মৃতিটা লালন করিনোংরা কাদা মাখামাখি শরীরে যখন ফিরে আসি মা গোসলের নির্দেশ দিতেন। মা আসা পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করতাম, ঘষে ময়লা তুলে দিতেন, পরীক্ষা করে দেখতেন আরও কাদামাটি রয়েছে কি না। আমার শরীর থেকে নোংরা পানি নেমে যাওয়ার দৃশ্যটা খুব উপভোগ করতাম।

আমি যেমন বলেছি, আমি ছিলাম অস্থিরচিত্ত এবং একই সঙ্গে সৃজনশীল একজন বালক। শিগগিরই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম আমাদের মানে সেতে দ্য সেটেমব্রো এবং রুবেন্স আরুদা স্ট্রিটের বালকদের নিজস্ব ক্লাব থাকতে হবে। আমি এটাই চাই। বাড়ির বাইরে খেলাটা মজার কিন্তু আমি চাই সেটা সঠিকভাবে করতেআমার বাবা ও অন্য খেলোয়াড়দের অনুসরণ করতে। তার মানে আমাদের ফুটবলের সাজসরঞ্জাম লাগবেশর্ট, শার্ট, বুট, মোজা এবং অবশ্যই ফুটবল। কিন্তু আমাদের টাকা কোথায়? তাহলে আমাদের অবশ্যই কিছু টাকার বন্দোবস্ত করতে হবে।

আমাদের বাড়ির বাইরে প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের আলোচনায় অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে নিজেদের জন্য ক্রীড়া সরঞ্জাম কেনা। যে কেউ আমাদের টিমের সদস্য হতে চাইলে নাম লেখাতে হবে (কাগজে-কলমে কিছু না মুখে মুখে বললেই চলবে)। আমাদের ক্লাবের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আমাদের কিংবা অন্য কোনো সদস্যের বাড়িতে। ধারণাটা আমারই, তখন ফুটবলের বড় দলগুলোর স্টিকার পাওয়া যেত। স্টিকার দিয়ে একটি কি দুটি অ্যালবাম ভর্তি করে তার বিনিময়ে একটি ফুটবল চাওয়া যেতে পারে। আমাদের লক্ষ্য হবে রিও এবং সাও পাওলোর মতো দলের স্টিকারএগুলো মূল্যবান বলে বিবেচিত হবে। সবাই ভাবল এটা একটা চমৎকার আইডিয়া। যার কাছে যত স্টিকার আছে তার সব জড়ো করতে আমরা সম্মত হলাম। আমি বললাম, ‘‘আর ফুটবল কিট? এসব কেনার টাকা আসবে কোত্থেকে?’’ একজন পরামর্শ দিল, আমরা রাস্তাঘাটে ঘুরে ঘুরে লোহা, টিন শিশি-বোতল এবং যত সব ভাঙ্গাড়ি জোগাড় করে বিক্রি করব। একজন বলল, জ্বালানির খড়ি জোগাড় করে তা বেচা যেতে পারে। আমরা প্রতিদিনই বাড়ি থেকে কিছু খড়ি চুরি করে এনে বিক্রির জন্য জমাতে পারি।

আমি জানি আমি যদি প্রতিদিন কিছু চুরি করি এটা আমার মা ডোনা কেলেস্তের চোখে পড়ার সম্ভাবনা কম, সুতরাং সম্মতি জানিয়ে মাথা নাড়লাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ দুটোর কোনো পরিকল্পনাই তেমন সফল হলো না। যতটা সম্ভব রাস্তায় ঘুরে ঘুরে আমরা সংগ্রহ করলাম। বিক্রিযোগ্য যা কিছু পাওয়া যায় তার খোঁজে আমরা কোনো রাস্তায় অনুসন্ধান বাকি রাখলাম না। কিন্তু সব মিলিয়ে আমরা কত পেলাম? মোজা কেনার পয়সাও তাতে জমল না। আমাদের কাছে স্পষ্ট হলো কেবল আমরা নই রাস্তাঘাটের বিক্রিযোগ্য ভাঙ্গাড়ি ও জঞ্জাল কুড়াতে বহুসংখ্যক মানুষ রাস্তায় নামেবিক্রি করার মতো কোনো কিছু রাস্তায় বেশিক্ষণ পড়ে থাকে না। আর এটাই সে সময়ের বাস্তবতার সাক্ষ্য দেয়।

সুতরাং আর একটি বৈঠক ডাকতে হলো। জে পর্তো নামের একটি বাচ্চার মাথায় বুদ্ধি গিজগিজ করত। সে বলল, আমরা তো সিনেমা হলের আর সার্কাসের গেটে বাদাম বিক্রি করলে পারি। তাতে সহজে ফুটবল কিট কেনার টাকাটা উঠে আসবে। কিন্তু তাতে নতুন সমস্যার উদ্ভব হলো : বিক্রি করার বাদাম পাব কোথায়? জে পর্তো হেসে উঠল এবং তাৎক্ষণিক এ সমস্যার একটি অপরাধভিত্তিক সমাধান দিয়ে দিলচুরি, আমরা চুরি করব। সরোকাবানা স্টোর থেকে আমরা বাদাম চুরি করে নিয়ে আসব। এটি আসলে রেলওয়ে গুদাম। ওয়াগানভরা মালামাল আসে, সেখানে স্তূপ করা হয়। শ্রমিকরা সারা দিনই সেখানে কাজ করে। কাজটা খুব ঝুঁকিপূর্ণ। চুরি যে কত বড় অপরাধ সে সম্পর্কে ডোনা কেলেস্তের নসিহত আমার মনে পড়তে থাকে। আমি জানি চুরির প্রস্তাবে আরও কজন বালক নিশ্চয়ই বিচলিতবোধ করতে থাকে। কিন্তু জে পর্তোর অসাধারণ রাজি করানোর ক্ষমতার কাছে আমরা পরাজিত হই। জে পর্তো বলে, প্রতিদিন রেলওয়ে ওয়াগানভর্তি বাদাম এখানে জড়ো করা হয়। আর গুদামে ঢুকে পড়াটা এমন কোনো কঠিন কাজও নয়। ওখান থেকে কয়েক কিলো করে বাদাম সরালে কারও কিছু এসে যাবে না। সবশেষে সে হুমকি দিল, আমার প্রস্তাবে যে রাজি হবে না ওই শালা একটা আস্ত রদ্দিমাল। তার শেষ হুমকি ছিল উপসংহারমূলক যুক্তি। দ্বিধা কেটে গেল। আমরা সবাই চুরি করতে রাজি হয়ে গেলাম।

(সংক্ষেপে পরের অংশটুকু হচ্ছে আগামী দিনের বিখ্যাত ফুটবলাররা সত্যিই যথেষ্ট আন্তরিকতার সঙ্গে সৎ উদ্দেশ্যে ফুটবল টিম গঠনের লক্ষ্যে চুরিতে নামলেন, ভয়াগানে উঠলেন, গুদামে ঢুকলেন। পেলে ধরা পড়ার আতঙ্কে প্রায় মরে যাচ্ছিলেন, তবুও পকেটভর্তি বাদাম নিয়ে পালাতে সক্ষম হলেন। শরীরে আতঙ্কের শীতল ঘাম প্রবাহিত হলেও প্রথম সাফল্য তাদের আনন্দে উদ্বেলিত করে তুলল। মনে হলো সেতে দ্য সেটেমব্রোর স্বপ্ন তাহলে সফল হতে যাচ্ছে। চুরিব বুদ্ধিদাতা পর্তোকে মনে হলো ক্লাবের প্রকৃত বন্ধু।)

আমরা বাদাম ভাজলাম, ঘুরে ঘুরে বিক্রি করলাম। হাতে টাকা এলো। শার্ট কেনাটা হবে, আমরা শর্টও কিনলাম। জুতো ভেস্ট এসব কেনার জন্য আবার অভিযানে বের হতে হবে। বাদাম চুরিতে আমাদের দ্বিতীয় অভিযানটি ব্যর্থ হয়ে গেল। আমরা হাতে জীবন নিয়ে চ্যাম্পিয়ন রানারের মতো দৌড়ে সে যাত্রা ধরা পড়া এবং জেলখাটা থেকে বাঁচলাম। আতঙ্কজনক এই অভিজ্ঞতা চুরির টাকায় ক্লাব গঠনের উদ্যোগকে থমকে দিলেও আমরা লক্ষ্য থেকে সরে যাইনি। যাই জুটেছে আমাদের তো একটা বড় ম্যাচ খেলতে হবে। খালি পায়ে নতুন শার্ট ও শর্ট পরে আমরা ফুটবল খেললাম। আমরা পরিচিত হলাম জুতোহীনশুলেস ফুটবল দল হিসেবে।

১৬ জুলাই ১৯৫০ সালের বিশ^কাপ ফুটবলের ফাইনাল। পেলের বয়স ৯ বছর। তার বাবা বাড়িতে পার্টি ডেকেছে-ডনডিনহো নিশ্চিত ফাইনালিস্ট ব্রাজিল অপর ফাইনালিস্ট উরুগুয়েকে সেদিন জনমের শিক্ষা দেবে। সুইডেনকে ৭-১ গোলে আর স্পেনকে ৬-১ গোলে হারিয়ে অপ্রতিরোধ্য ব্রাজিল ফাইনালে উঠেছে। ডনডিনহো ১৫ জন বন্ধুকে নিমন্ত্রণ করেছে। সেখানে টেলিভিশন ধারাবিবরণী দিতে শুরু করেনি, তা ছাড়া বাড়িতে টেলিভিশনও নেই। আছে রেডিও, খেলা হচ্ছে মারাকানার সদ্য নির্মিত স্টেডিয়ামে। পেলে ঠিক ধারাবিবরণী শুনছিলেন না। হঠাৎ একসময় তার চোখে পড়ল বাবাসহ তার বন্ধুরা একেবারে নিশ্চুপ হয়ে গেছেন। পেলে জীবনে এই প্রথম দেখলেন, তার বাবা হাউমাউ করে কাঁদছেন। তার বন্ধুরাও কান্না ধরে রাখতে পারছেন না। ডনডিনহো বিলাপ করে চলেছেন : কেন এমন হলো, কেন এমন হলো? ব্রাজিল ফাইনালে হেরে গেছে।

ডনডিনহো তখন কেমন করে বুঝবেন যে মাত্র ৮ বছর পর ১৯৫৮ সালে তার ছেলে বিশ^কাপ জিতে তার সমস্ত দুঃখ ঘুচিয়ে দেবেন!

আন্দালিব রাশদী : কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020
Design & Developed BY jmitsolution.com