মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৩১ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

পেকুয়ায় হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদন্ড, স্ত্রীর যাবজ্জীবন

মোহাম্মদ ফারুক:

পেকুয়ায় চাঞ্চল্যকর শিক্ষক ফরহাদ হত্যা মামলায় এক জনকে মৃত্যুদন্ড এবং অপর একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। একইসঙ্গে কারাদন্ড প্রাপ্তদের ১৫ লক্ষ টাকা অর্থদন্ডও দেওয়া হয়েছে। এসময় আসামীরা আদালতে অনুপস্থিতি ছিলেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের আবদুল হামিদ সিকদার পাড়ার মৃত মৌলভী নুর আহমদের ছেলে ছালেহ ছোটন। একই মামলায় তার স্ত্রী আসমাউল হুসনা লিপিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।
কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি মোজাফ্ফর আহমদ হেলালী স্বামী স্ত্রীর সাজাপ্রাপ্তের তথ্য নিশ্চিত করেন।

আদালত সুত্র জানায়, ২০১৫ সালের ৬ মে রাত নয়টার দিকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় কলেজ শিক্ষক এস এম ফরহাদ উদ্দিনকে। তার বাড়ি কক্সবাজারের পেকুয়ার সদর ইউনিয়নের আব্দুল হামিদ সিকদারপাড়ায়। তিনি চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি কলেজের গণিত শিক্ষক ছিলেন। ঘটনার সময় ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়েছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাফিসা নূর। ঘটনার পর ৮ মে তাঁর বাবা মোহাম্মদ ইউনুছ বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় স্থানীয় ছালেহ ওরফে ছোটন, তার স্ত্রী আসমাউল হোসনা লিপি, ছালেহের ভাই সিরাজুল মোস্তফা, নুরুল আবছার ও তাঁর স্ত্রী শাহেদা বেগম এবং মেয়ে শিরিন জন্নাত আঁখির বিরুদ্ধে মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্তের পর পেকুয়া থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শহীদ উল্যাহ ছালেহ ও তাঁর স্ত্রী আসমাউল হোসনা লিপির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। মামলার বাদি মোহাম্মদ ইউনুছ না-রাজি দেন। পরে কক্সবাজার অতিরিক্ত দায়রা ও জজ আদালত মামলার সব আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন।

মামলার বাদি ও ফরহাদের বাবা মোহাম্মদ ইউনুছ জানান, ‘আমার ছেলেকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করার সাত বছর পেরিয়ে গেছে। আজ পর্যন্ত একজন আসামিও গ্রেপ্তার হননি। সব আসামি চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছে। বাড়িতে এসে আরও হত্যাকাণ্ড ঘটাবে বলে আমাদের প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। অবশেষে আজ (বৃহস্পতিবার) বিজ্ঞ আদালত প্রধান খুনি ছালেহকে মৃত্যুদন্ড এবং তার স্ত্রী আসমাউল হুসনা লিপিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছেন। অনাদায়ে ১৫ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতের রায়ের প্রতি আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020
Design & Developed BY jmitsolution.com